...................................................................
.
ভুলগুলো কাঁটাতারে বিঁধে আছে চোখের সামনে ঝুলন্ত লাশ হয়ে,চোখ বোঝে না;বারংবার তাকায় ভাঙা আয়নার চোখে
ওরে চোখ তুই যে অন্ধ! জানালা বন্ধ করে একটু এগিয়ে যা;নেশাতুর মাতাল গেলাস ভেঙে চুর হয়ে আছে পথে;দেখতে দেখতে এঁকে ফেল একটা অমেরুদণ্ডী মন তারপর হেঁটে হেঁটে ক্ষয়ের চিহ্ন নিয়ে ফিরে চল চিৎ সাতারের দেশে-
এই মন্ত্র গায়ে মেখে এগুচ্ছিলো কতিপয় নাবিক;নোনা স্রোতে মিঠা জলের গীত ইতি টেনে নিচ্ছিলো ভাঙা দূরবীনের নিটোল নিঃশ্বাসে
যেখানে বিশ্বাস এঁকেছিলো একটা দ্বীপ
যেখানে একলা একটা শঙ্খচিল ছিঁড়ছিল ডানা
যেখানে বুকের কাঠিতে জ্বলছিল শিস দেয়া আগুন
যেখানে ক্ষুধার ক্ষুরধার বড়শিতে গেঁথে ছিলো মোহের মাছেরা
সেখানে কেন তুমি তুলি বুলিয়ে সবুজ হেসেছিলে?!
সেখানে একবার নয় একাধিক ঘড়ি বুকে জড়িয়ে খেলেছিলে সূর্যের তামাশা!?
সেখানে কেনোইবা চোরাবালি ঠিকানায় লিখে দিলে আদিম সুবাস
পুলকিতা,
সেই কতিপয় নাবিক এক হয়ে এখন আমিতে পরিপূর্ণ
আর সেই চোরাবালি এই আমাকে গিলে নিলো নিমিষে
এখন তোমাকে যদি সেই একলা ডানাছেঁড়া শঙ্খচিল নামে ডাকি
তাহলে কি মস্ত ভুল পাহাড়ের সাবধানী কাঁটা হতে পারবে?!
.
......................................................................
রুদ্র নীলিম/ নওগাঁ/ ১২.৬.১৭