যেদিন বস্তির সবার তাড়া খেয়ে আমি দিকভ্রষ্ট;
হারালাম নিরুদ্দিষ্টে। মনে পড়ে দু'হাজার চার সেপ্টেম্বরের কোনো এক সন্ধ্যায়।
মনে পড়ে আবছা আলোয় ট্রেন
মনে পড়ে আবছা তোর ছবি
মনে পড়ে ক্লান্তির ঘর ঘোর ঘুম।
ক্রমে স্পষ্ট হচ্ছিলো অনিশ্চিত; আবছা পুরনো দিন;ক্রমশ চশমার কাঁচে
জমা উটকো ধুলো।
.
জেনে বুঝেও তোর আবছা ছবি দেয়ালে
যদিও আজ কোন ঘর নেই নিজের;কাকতাল মিলে যাওয়া কারও পিঠে বিঁধে থাকা
কাঁটাতারে তোর পোট্রেট ঝোলে।
আমি খুঁটতে থাকি অনিশ্চিতের মানচিত্র;
রেখার শেষ নেই
বাঁকের ছেঁড়া অংশ ঠিকানা কুড়ানো কম্পাসের কাঁটা;থেমে থেমে হারিয়ে যাবার ভয়
দেখায় বারবার;আমি ভীত নই জেনেও অন্ধকারে বেজে চলে তোর হাতের চেনা চাবির
গোছার নূপুর।
.
অথচ বৃষ্টিভেজা সেদিনের কাক'টা বলেছিলো -
কালোরঙ মেঘভর্তি ছাদে এখনও তুই বসে থাকিস বৃষ্টির আশায়;ভিজবি বলে
বৃষ্টি শেষে চুল শুকাবি; ফুরফুর আর্দ্র বাতাসে।
.
তোর ইচ্ছায় আমারও বৃষ্টিতে ভিজতে ইচ্ছে হল।
.............................................................................
রুদ্র নীলিম/ নওগাঁ/ ২৪.১.১৭