....................................................................................
তোর বাম ঠোঁটের পাহাড়ি ঢালে ছোট্ট এক মোহন কলঙ্ক ,মানচিত্রের প্রতিটি রেখায় শুভংকর সুত্রের বাহারি সবুজ মোড়া পথ; যেখান ফিরে যাবার গান;অযাচিত নাগরিক টার্নিং; লাল নীল হলুদ; চোখ ধাঁধানো ধুম্রজালের চক্করের গোলাকার ধাঁধাঁয় আমি গোলাকার ঘূর্ণিপাক; লাট্টু আর লেত্তির বৃত্তের মাঝে তোর নাভির গর্তে বেগুনি আঁকিবুঁকি...
.
এটা নিছক গল্প হলেও পারতো। চৌদ্দ নম্বর বসন্ত আঙিনার আবছা আকাশে ডিমকুসুম সূর্য; রেডিয়াম কুয়াশা বিন্দু জল এর প্রচ্ছদে তোর আলতো ভেজা শাড়ির পাড়;আলো চলে গেলে; আঁকা জানালায় ঝুলে থাকা পেইন্টিঙে ট্যাঙর পচা বিল; শেষ প্রান্তের জ্যোৎস্না;মরা তুলশিগঙ্গার পাড়ের বৃদ্ধ জারুল গাছ আর অচেনা ঝোপঝাড় ঘিরে অগুনতি জোনাকি মেলা, আর টিমটিম আলোয় তোর ধ্বল পাহাড় রোজ নিত্য নতুন সুতোর সবুজ লাল নীল আরও হরেক রঙের আড়ালে আঁকে অর্থনীতির নব্য মূল্যসূচক ঊর্ধ্বগতির;
কি জানি কিসের অভিশাপে নগরের এ খবরদারি আমাদের দূরত্বের কাঁটাতার!
কিসের ঈর্ষায়;
কিসের ঔদ্ধত্যে!
চাঁদ আর কৃষ্ণপক্ষে সাজানো কক্ষপথ দূরত্বে গ্যালাক্সির ভবঘুরে জ্যামিতিক গুন ভাগ! জোকার গ্যালিলিও গেয়েই চলে হেমলক গান!
.
মেঘাকাশের কান্না;কৃষ্ণচূড়া ছুটি চায় মৌসুমের কাছে ;রোজ দেয়ালে টানানো নিজের প্রতিকৃতি যিশুর আশীর্বাদ; ডান হাত উঁচিয়ে আলোর মোহ; ঈশ্বর তোমার ...
অনেকটা ঝিঁঝিঁ পোকার গান;পড়শি মৌসুমের কাছে; অথচ সেখানে রোজই নৈরাশ্যের গান বাজে...
এখন কদম সময়
ধুসর মৌনতা; বৃষ্টিজল ছুঁয়ে যায় মাটি কৈশোরের খেলনা; অথচ তোর রক্তজবা কোনটাই ছোঁয় না।
.
সেই দিগন্তহীন চেয়ে থাকা ধূসর আলোর
হাতে তোমার স্নিগ্ধ আঙুলে ঢুকে গ্যাছে, ক্রেডিট কার্ড এর পাসওয়ার্ড
নিউরনের নালায় ফুলস্পীড লৌহ রাক্তপাত
বেহুদা অকর্মা গোলাকার লজ্জা ভুলে তবু চেয়ে থাকে মদ্ধ্যরতের বারান্দায়
খসড়া ষড়যন্ত্র ।
....................................................................................
রুদ্র নীলিম/ নওগাঁ / ২১.০৬.১৬ মধ্যরাত
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন